জেনে নেয়া যাক জামের উপকারিতা Leave a comment

গ্রীষ্মকালীন ফলগুলোর মধ্যে জাম অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল। জাম দেখতে সাধারণত কালচে বর্ণের এবং আকৃতিতে ছোট হয়। জাম খেতে হালকা টক এবং মিষ্টি স্বাদের। লবন মরিচ দিয়ে জাম মাখিয়ে খেতে পছন্দ করে না এমন বাঙ্গালি খুব একটা পাওয়া যাবে না। কিন্তু এটি কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন। তাই আজকের ব্লগ সুস্বাদ্যু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি নিয়ে।

দামে কম হওয়ায় এই ফলটিকে আমরা গুরুত্বরে সাথে বিবেচনা করি না। কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন জামে  রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন-সি, কপার, জিক্স, গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ, ফাইবার ও প্রচুর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ছোট এই ফলটির এতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে সুতরাং এটি শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা আপনারা এমনি বুঝতে পারছেন। জেনে নেওয়া যাক জামের স্বাস্থ্য উপকারিতা।

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য জাম ভীষণ উপকারী। এক গবেষনায় দেখা গেছে নিয়মিত জাম খাওয়ার ফলে ৬.৫ শতাংশ মানুষের ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমে গেছে। কেবলমাত্র জামিই নয় জামের বিচি শুকিয়ে গুড়ো করে খেলেও ডায়েবেটিস রোগীদের জন্য ঔষধ হিসেবে কাজ করে। এর কারণ হচ্ছে জাম আমাদের দেহের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রন করে ফলে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে।

আগেই বলেছি জামে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন-সি যা দেহের ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ করে, এর ফলে দেহের ভিটামিন-সি এর অভাবে যেসব রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে তা হতে পারে না। এছাড়াও এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।

জামে রয়েছে প্রচুর পরিমান আয়রন তাই যাদের রক্ত স্বল্পতার মত সমস্যা গুলো রয়েছে তাদের গ্রীষ্মকালীন খাদ্য তালিকায় জাম রাখতে পারেন। এতে রক্ত শূণ্যতার সমস্যা দূর হবে।

এছাড়াও জাম রক্তে কোলেষ্টোরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। 

জামে কম পরিমান ক্যালরি থাকে। আর এই ক্যালরি ক্ষতিকর নয় বরং স্বাস্থ্য সম্মত। তাই ওজন নিয়ে যারা চিন্তিত তারা নিশ্চিন্তে খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন জাম। এটি রক্ত পরিশোধনের কাজও করে। তাই গ্রীষ্মকালে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখতে চেষ্টা করুন জাম।

লিখেছেন :-
Musarrat Rahman Achal
Head Of Marketing
Nandonik Online Shopping
Spread the love
  •  
  •   
  •   
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *